জীবনে প্রথমবার রুম ডেটে এসেছে মীনা৷ কিছুটা ভয় জড়িয়ে আছে তার আষ্টে-পৃষ্ঠে৷
‘আজকে না করলেই হয় না’? কাঁপা কাঁপা স্বরে বলল মীনা।
মীনার গালে হাত রাখল সাদিক। মুচকি হাসি দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরল। তারপর কানের কাছে ফিশ ফিশ করে বলল, ‘না, হয় না। আজকে করতেই হবে। কত দিন ধরে এই প্ল্যান’।
নিজেকে ছাড়িয়ে নিল মীনা। অভিমানের স্বরে বলল, ‘সব সময় নিজের জেদটাকেই গুরুত্ব দাও!’ বলে ঠোঁট বাকিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে পড়ল। সাথে সাথে সাদিক ব্যস্ত হয়ে পড়ল বিছানার চাদরে ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজানোর কাজে। খাটের নিচ থেকে এক ঝুড়ি ফুল টেনে বের করল। তারপর গোটা ঘরে চোখ ঘুরাতে লাগল কোথায় কোথায় ফুল বসাবে। আজকে মীনার সাথে তার প্রথম রুম ডেট। যার জন্য সব কিছুই সে ফুল দিয়ে সাজাবে ঠিক করেছে। অনেকটা বাসর ঘরের মতো। মীনা জানে না ঘর সাজানোর ব্যাপারটা। ইউনিভার্সিটি থেকে সোজা এসেছে সাদিকের নতুন বাসায়। যার জন্য এসেই গোসলে ঢুকেছে সে।
কাপড় খুলে ঝরনা ছেড়ে চোখ বন্ধ করল মীনা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তার গোটা শরীর ভিজে গেল। বাইরের তপ্ত গরম থেকে এসেই ঝরনার পানিতে যেন স্বর্গীয় অনুভূতি কাজ করছে তার। চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল কেবল। শরীরের তৃষ্ণার্ত লোমগুলোকে পানি খাওয়াচ্ছে তৃপ্তি ভরে। এমন সময় তার মনে হলো কেউ ডাকছে তাকে। চোখ খুলল সে। সাদিকের উদ্দেশ্যে বলল, ‘ডেকেছো’?
সাদিক বিছানায় ফুলের পাপড়ি দিয়ে লাভ সাইন আঁকছিল। মীনার ডাকে কেঁপে উঠল। মনে করেছিল যেন গোসল শেষ করে বেরিয়েছে। সে বলল, ‘কি বললে’?
ঝরনা বন্ধ করল মীনা। বলল, ‘ আমাকে ডেকেছো কি না সেটা জিজ্ঞাসা করেছি’।
‘না না ডাকিনি। তুমি শান্তি মতো করো গোসল’।
মেয়েটি ঝরনা ছেড়ে আবার চোখ বন্ধ করল। দুই তিন সেকেন্ড যেতেই তার কানে এলো। ‘এই মেয়ে শুনো’।
কথাটি খুব পরিষ্কার শুনলো মীনা। যেন তার পাশ থেকেই কেউ ডেকেছে। চোখ খুলে সে ঝরনার নিচ থেকে সরে দাঁড়ালো। চোখ ঘুরালো গোটা বাথরুমে। কেউ তো নেই! বাথরুমের দরজায় কান লাগালো মীনা, বুঝার জন্য যে সাদিক ফাজলামো করে ডেকেছে কিনা। কান লাগিয়ে সে শুনল সাদিক গান গাইছে, ‘আজ পাশা খেলবরে শ্যাম’।
হাসি চলে এলো মেয়েটির। শব্দ করেই হাসলো। সে বুঝতে পারছে সাদিক কতটা এক্সাইটেড হয়ে এই গান গাইছে। আর কত হাস্যকর অঙ্গভঙ্গিই না করছে এখন। একবার ভাবল দরজা হালকা খুলে এই দৃশ্য দেখবে। সাথে সাথে ভাবনাটা বদলালো। শান্তি মতো গোসলই করা যাক। কিছুক্ষণ পরেই তো অশান্তি শুরু করবে পাগলাটা।
ঠোঁটে হাসি নিয়েই ঝরনার নিচে গিয়ে দাঁড়ালো। চোখের পাতা বন্ধ করতেই আবারো শুনলো, ‘এই মেয়ে শুনো না’।
মীনা এবার চমকে উঠল। সাদিকের তোয়ালা দিয়ে মুখ মুছে তা বুকের উপর চেপে ধরে বলল, ‘কে?’ চারপাশে চোখ ঘুরাতে লাগল। ছোট বাথরুম। এক পাশে দাঁড়ালে সবই দেখা যায়। তবুও সে ভালো করে ঘুরে খুঁজতে লাগল কাউকে, কেউ তো আছে এখানে অবশ্যই। ঝরনা বন্ধ করে আবার জিজ্ঞাসা করল, ‘কে?’
এবার সে শুনলো হাসির শব্দ। মেয়েলি হাসি। খুব বিচ্ছিরি ধরনের। হাসিতে কেঁপে উঠল মীনার বুক। ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে যাবে সে। ছিটকিনি খুলতে যাবে দেখে ছিটকিনি খোলাই আছে। দরজা টান দিল। খুলল না। দুই হাত দিয়ে জোরে টান দিল, তবুও না। যেন ওই পাশ থেকে লাগিয়ে রেখেছে। সাদিক! সাদিক! জোরে ডাক দিল সে। সাদিক শুনলো না। নিজের মতো করে বেসুরে গলায় গেয়েই যাচ্ছে গান।
‘ঊফ! এই সাদিক’।
আবারো শুনলো মীনা হাসির শব্দ। এবারের হাসিটি যেন খুব ভারি শুনালো। জিদ করে দরজায় জোরে কিল মারল মেয়েটি। কিল মারার সাথে সাথেই দেখল ঝরনা থেকে অটোমেটিক পানি পড়ছে। এবার ভয় পেল সে। দরজায় কিল মারতে লাগল জোরে জোরে। আর ঝরনার পানিও যেন খুব ঘন এবং তীব্র হয়ে পড়ছে।
হঠাৎ দরজা খুলে গেল। সাদিক দরজা টেনে খুলেছে। অবাক হয়ে বলল, ‘কি হয়েছে! দরজায় ঘুষি মারছো কেন?’
মীনা খেয়াল করল ঝরনা থেকে পানি পড়া বন্ধ হয়ে গেছে সাদিকের দরজা খুলার সাথে সাথেই। ভয়ার্ত কন্ঠে মেয়েটি বলল, ‘বাথরুমে কেউ আছে।‘
অবাক হলো সাদিক, ‘কে থাকবে’!
‘কেউ আমাকে ডাকছে। হাসছে’।
‘কি বলো! তোমাকে ডাকবে কে? আর হাসার মতো তো কেউ নেই। মনে হয় তোমার মনের ধারনা। যাক গোসল শেষ করে আসো’।
মীনা আর সাহস পেল না। বলল, ‘ লাগবে না। হয়ে গেছে গোসল’। বলে বাথরুম থেকে ঘরে ঢুকল। দেখল ফুল দিয়ে বিছানা সাজানো। কিন্তু তাতে তার কোনো ভাবান্তর হলো না। ভয় এবং চিন্তা যেন এখনো লেগেই আছে মুখে।
মেয়েটির ভেজা শরীর দেখে অবশ্য সাদিক আর ঠিক থাকতে পারল না। ধাপ করে এসে জড়িয়ে ধরল মীনাকে। ঘাড়ে বসিয়ে দিল এক চুমু। মীনা ছাড়াবার চেষ্টা করল না। ঘুরে জড়িয়ে ধরল ছেলেটিকে। মীনার পেছনেই ড্রেসিন টেবিল। সেই আয়নায় বাথরুমের চাপানো দরজার ভেতরটা দেখা যাচ্ছে। মীনার ঘাড়ে সাদিক চুমু খেতেই চোখ গেল আয়নায়। এক পলকের জন্য তার মনে হলো বাথরুমের দরজার ফাকে দিয়ে কোনো এক জোড়া লাল চোখ তাকিয়ে আছে। চমকে সে মীনাকে সরিয়ে ঘুরে দাঁড়ালো দরজার মুখোমুখি। এক হাত দিয়ে ঠেলে দিল দরজা। ভেতরে উকি দিল। মীনা বলল, ‘ কি হলো’?
ভ্রু কুঁচকে সাদিক বলল ‘বোধহয় কাউকে দেখলাম বাথরুমে’।
‘আমারো তাই মনে হয়েছে কেউ আছে। কিন্তু খালি ফ্লাটে কে থাকবে?’
‘তাই তো বুঝতে পারছি না। আচ্ছা এক কাজ করো, আমার টি শার্ট পড়ে চা বানিয়ে নিয়ে আসো। কড়া করে বানাবে। দেখি শরীরে ক্যাফেইন যাওয়ার পরেও কি এমন অস্বাভাবিক কিছু মনে হয় কি না’।
‘হু যাচ্ছি’ বলে সাদিকের টি শার্ট পড়ে রান্না ঘরে গেল মীনা। সাদিক চিন্তিত মুখে খাটে বসে সিগারেট জ্বালাল। তার দেখার ভুল কখনই হয় না। সে আয়নায় যা দেখেছে, তা সত্যি দেখেছে। কিন্তু কি দেখেছে! কাকে দেখা গেল!
মাথা যেন তার গুলিয়ে গেল। চোখ বন্ধ করল খানিকটা শান্ত করার জন্য। তখনি সে শুনল, ‘এই শুনো’।
চোখ মেলল সাদিক। ঘরে ঢোকার দরজার দিকে তাকাল। ভাবল হয়তো মীনা ডেকেছে। ভুল ভেবেছে। কাজেই চোখ বন্ধ করে সিগারেটে লম্বা টান দিতেই আবারো শুনল, ‘আরেহ শুনো না’।
বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল সাদিক। ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে রান্না ঘরে মীরার পিঠের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ডেকেছো কেনো?’
‘আমি তো ডাকেনি’।
‘আমি পরিষ্কার শুনেছি তুমি ডেকেছো’।
মীনা বুঝতে পারল ব্যাপারটা। কারন বাথরুমেও তার সাথে এমন ঘটেছে। চুলার আগুন কমিয়ে দিয়ে সাদিকের সামনে এসে দাঁড়ালো সে। বলল, ‘আমিও তোমার মত এমন ডাক শুনেছি। আমার এখন ভয় করছে। বোধহয় ঘরে কেউ আছে’।
‘আমারো ধারানো ঘরে কেউ আছে। কিন্তু কে থাকবে আমরা ছাড়া!’
‘চলো বেরিয়ে যাই।‘
‘কালকে বাসা ভাড়া নিয়েছি। আজকেই বেরিয়ে যাবো! কোথায় থাকব? তুমি তো চলে যাবে তোমার বাসায় কিন্তু আমি?’
‘কিন্তু এখানে থাকা তোমার জন্য ঠিক হবে না বলে মনে হচ্ছে’।
‘আচ্ছা দেখি আজকের রাতটা। তুমি কি তাহলে চলে যাবে’?
‘যাওয়া তো দরকার। সময় হয়ে যাচ্ছে আমার। কিছু করার এখন তোমার মুড আছে বলে মনে হচ্ছে না ’।
‘তা অবশ্য ঠিক। আচ্ছা চা টা খেয়ে চলো তোমাকে সামনে এগিয়ে দিয়ে আসি’।
চিন্তিত মুখে দু’জনে কড়া দুই কাপ চা শেষ করল। মীনা তার নিজের কাপড় পড়ে বাইরের দরজা পর্যন্ত এলো। দেখল দরজা লক করা। বলল, ‘দরজা লক করে রেখেছো তো। চাবি দাও’।
শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে দরজার কাছে এগিয়ে এলো সাদিক। বলল, ‘আমি লক করিনি ’।
‘এই যে লক করা!’
অবাক হলো সাদিক। ভীষণ অবাক। ঘর থেকে চাবি এনে লক খোলার চেষ্টা করল। অদ্ভুত বিষয় খুলছে না। ‘কি হচ্ছে এসব’!
ঠিক তখনি দুই জনে শুনল হাসির শব্দ। মীনা আর সাদিকে দুই জনে এক সাথে বলে বসল, ‘ তুমি হেসেছো!’
আবার শুনল হাসি। এবার তারা বুঝতে পারল কেউ যেন তাদের পেছন দিয়ে দৌড়ে গেল। যার ফলে বাতাসে মীনার চুল উড়ল খানিকটা। মেয়েটি ভয় পেয়ে খামচে ধরল সাদিকের হাত। সাদিক ব্যস্ত ভাবে চারপাশে চোখ ঘুরিয়ে বলল, ‘কে? কে!’
শিস বাজল কোথায় যেন। তারপর খুব কর্কশ স্বরে বলল কেউ, ‘আমি। কেমন আছো তোমরা?’
সাদিক এবার ভয় পেয়ে গেল। উলটো ঘুরে দরজার কাছে গিয়ে বারবার চেষ্টা করতে লাগল দরজা খোলার জন্য। তার হাত কাঁপছে। মীনা কোথা থেকে যেন একটি প্লাস্টিকের বোতল এনে দাঁড়াল মারমুখী ভঙ্গিতে। সাদিক ক্ষেপে গিয়ে মীনার মাথায় চড় মেরে বলল, ‘দরজা খোলার চেষ্টা কর গাধী’।
মীনার মাথায় আঘাত করতেই যেন অদৃশ্য কিছু এসে সাদিকের গলা চেপে ধরল। শূন্যে ভাসিয়ে নিয়ে উঠালো ছাদের কাছে। মীনা হাতের বোতল, কাঁধের ব্যাগ সব ছুঁড়ে মারল অদৃশ্য সেই দিকে। সাদিক পড়ে গেল নিচে। কাশতে লাগল ঘন ঘন। সেই অদৃশ্য কিছু এবার মীরার চুল টেনে ধরল। ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে উঠল মেয়েটি। মাটি থেকে উঠে সাদিক মীনাকে জড়িয়ে ধরে এক হ্যাচকা টান দিল। মুক্ত হলো মেয়েটি সেই অদৃশ্য কিছুর হাত থেকে।
এবার মেয়েটি এক বুদ্ধি আঁকল। দরজার হাতলের দিকে হাত দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে নিল। সেই অদৃশ্য কিছু মীনার হাত সরাবার জন্য হাতলে হাত দিতেই হাতল ভেঙে গেল। খুলে গেল দরজা। সাদিকের শার্টের কলার ধরে টান দিয়ে বের হয়ে গেল দু’জনে। যেন হাপ ছেড়ে বাঁচল। মেয়েটির হাত ধরে সোজা নেমে এলো নীচে।
বাড়ির দারোয়ানকে ডেকে বলল, ‘ অই ফ্লাটে কোনো সমস্যা আছে?’
‘জানি না স্যার। আমি নতুন। এই মাসেই আসছি’।
মীনা বলল, ‘এদের বলে লাভ নাই। চলো এই এলাকার কোনো মাওলানাকে ডেকে এনে দেখাই। ব্যাপারটা কি বুঝতে হবে তো। ভেগে গেলে তো হবে না’।
‘চুলে টান খাইছো যে শিক্ষা হয় নাই’?
‘কে আমার চুলে টান দিল তার খবর আছে, চলো চলো’।
এলাকার এক পুরোনো মসজিদের বয়স্ক এক মাওলানাকে নিয়ে এলো সাদিক। ফ্লাটের সামনে দাঁড়িয়ে সব ঘটনা বলল। মাওলানা মন দিয়ে সব শুনে গম্ভীর স্বরে বলল, ‘ এই জগতে অনেক রহস্যের ঘটনা ঘটে। যারা আধ্যাত্মিক জীবন সাধন করে। তার বুঝে। যেমন আমি। আমার ধারনা ছিল এমন কিছু একটা হয়তো হবে’।
‘কেনো! কেনো’। ব্যস্ত হয়ে বলল মীনা।
মাওলানা বলল, ‘ দুই মাস আগের ঘটনা। এখানে এক পরিবার থাকতেন। ফজেতুন নামের এক মেয়ে আমার কাছে বেশ কয়েকবার আসতো। বলত তার স্বামীকে সে বশ করবে। কোনো উপায় আছে কিনা। আমি বললাম এমনটা ধর্মের বাহিরে। এসব করল কোনো মাফ নেই। কিন্তু কেনো মা? তখন ফজেতুন বলেছিল তার স্বামী নাকি খুব মারধর করত। দিন শেষে যখন বাসায় আসত স্বামী, মেয়েটির শাশুড়ি কান ভরত যে ঘরের কোনো কাজ করে না, আমাকে তোর বউ অর্ডার দেয়। সারাদিন মোবাইল নিয়া পড়ে থাকে।‘ এসব শুনে স্বামী খুব মারত ফজেতুনকে। আর শাশুড়ি করত মানসিক অত্যাচার। তো একদিন সকাল বেলা দেখি এই বাড়ির সামনে পুলিশের গাড়ি। আর মানুষের ভিড়। ভিড় ঠেলে ঘরে এসে দেখি মেয়েটির লাশ ফ্যানে ঝুলছে। পুলিশ বলে আত্মহত্যা। শাশুড়ি এবং স্বামী তারাও বলেছে আত্মহত্যা। কিন্তু আমার মন বলেছে তখনি, এটি হত্যা। তো যাক, অই মাসেই তারা ফ্লাট ছেড়ে দেয়। এরপর আর কেউ উঠেনি এই ফ্লাটে। আপনারাই প্রথম উঠেছেন অই ঘটনার পর।‘
মাওলানা ওদের দুই জনকে হাজবেন্ড ওয়াইফ ভেবেছে বলে সাদিক লজ্জা পেয়ে সরে পড়ল সামনে থেকে। মীনা বলল, ‘ আপনি কিছু করবেন না? আমার চুল টান দিয়েছে কেউ’।
মাওলানা হাসল। বলল, ‘আপনি যান। আমি দেখছি কি করা যায়’।
ওরা দু’জনে চলে এলো। সাদিক সেদিনই অন্য এক বাসায় উঠল। ঠিক এর দুই দিন পর ফেসবুকে স্ক্রল করতে গিয়ে প্রথম আলো পত্রিকায় দেখল। উত্তরার ফ্লাট বাসায় এক মাওলানার মৃত্যু। পুলিশের ধারনা স্ট্রোক করে মারা গেছে। মৃত্যুর ঠিক দুই দিন আগেই মাওলানা সেই ফ্লাট বাসা ভাড়া নেয়।
সাদিক ঘন এক শ্বাস ছাড়ল৷ যেন সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছে …৷
/
এই ঘরে কে?
.
রাব্বানী মাসায়েখ পনি